ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব
শনিবার, ১৩ জুমাদাল আউওয়াল ১৪৪৮ AH
১৩ জুমাদাল আউওয়াল ১৪৪৮ AH
শরিক হোন
শনিবার, ১৩ জুমাদাল আউওয়াল ১৪৪৮ AH
১৩ জুমাদাল আউওয়াল ১৪৪৮ AH
শরিক হোন

রোযা অবস্থায় কুলি করার হুকুম

3,254

প্রশ্ন 14065

রোযা অবস্থায় ওযুর সময় মুখে পানি নেয়ার হুকুম কী?

উত্তর

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের প্রতি। পর সমাচার:

একজন মুমিন পরিপূর্ণভাবে ওযু করতে আদিষ্ট। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই মর্মে আদেশ করেছেন, তিনি বলেন: “ওযুকে পরিপূর্ণ করুন, আঙ্গুলগুলোর মাঝে খিলাল করুন, জোরালোভাবে নাকে পানি দিন; যদি না আপনি রোযাদার হন”।[সুনানে তিরমিযি (আস-সাওম/৭৮৮), সুনানে আবু দাউদ (১৪২), আলবানী ‘সহিহু সুনানিত তিরমিযি’ গ্রন্থে (৬৩১) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]

এখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোযা অবস্থায় প্রকৃষ্টভাবে কুলি ও নাকে পানি দেয়া থেকে বিরত থাকার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন; যাতে করে এটি হারামের দিকে পর্যবসিত না করে। আর তা হলো রোযা অবস্থায় পানি পেটে চলে যাওয়া। কিন্তু রোযা অবস্থায় নিছক কুলি করায় কোন আপত্তি নেই; যদি রোযাদারের পেটে পানি চলে না যায়।

তাই উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর থেকে বর্ণিত সহিহ হাদিসে এসেছে যে, তিনি বলেন: একবার আমি রোযা অবস্থায় চাঙ্গাবোধ করে চুম্বন করলাম। তখন বললাম: ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! আজ আমি জঘন্য কিছু করে ফেলেছি। আমি রোযা রেখে চুম্বন করে ফেলেছি। তিনি বললেন: আপনি যদি রোযা রেখে কুলি করেন; তাহলে সেটাকে কেমন মনে করেন? আমি বললাম: অসুবিধা নাই। তিনি বললেন: তাহলে এই প্রশ্ন কেন?[সুনানে আবু দাউদ (সাওম অধ্যায়/২০৩৭), আলবানী সহিহ সুনানে দাউদ গ্রন্থে (২০৮৯) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]

হাদিসটির ব্যাখ্যাকার বলেন: তাঁর বাণী: “আপনি যদি রোযা রেখে কুলি করেন; তাহলে সেটাকে কেমন মনে করেন”: এর মধ্যে চমৎকার ফিকাহ (সূক্ষ্মবোধ) এর দিকে ইঙ্গিত রয়েছে। সেটা হলো: কুলি করা রোযাকে ভঙ্গ করবে না। যেহেতু কুলি হলো পান করার পূর্বধাপ...।

আল্লাহ্‌ই সর্বজ্ঞ।

সূত্র

রোজা ভঙ্গের কারণসমূহ

সূত্র: 

ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব

নিউজলেটার

ওয়েবসাইটের ইমেইল ভিত্তিক নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন

ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব অ্যাপ্লিকেশন

কন্টেন্টে আরও দ্রুত পৌঁছতে ও ইন্টারনেট ছাড়া ব্রাউজ করতে

App StoreGoogle Play