ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব
শনিবার, ১৩ জুমাদাল আউওয়াল ১৪৪৮ AH
১৩ জুমাদাল আউওয়াল ১৪৪৮ AH
শরিক হোন
শনিবার, ১৩ জুমাদাল আউওয়াল ১৪৪৮ AH
১৩ জুমাদাল আউওয়াল ১৪৪৮ AH
শরিক হোন

‘ঈদুল আবরার’ নামক বিদাত

3,348

প্রশ্ন 12366

প্রশ্ন: প্রতি বছর শাওয়াল মাসে ‘ঈদুল আবরার’ নামে যে ঈদ পালন করা হয় এর হুকুম কী?

উত্তর

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের প্রতি। পর সমাচার:

শাওয়াল মাসে যে বিদাতগুলো সংঘটিত হয়ে থাকে এর মধ্যে রয়েছে- ‘ঈদুল আবরার’ নামক বিদাত। যা শাওয়াল মাসের ৮ তারিখে ঘটে থাকে। লোকেরা রমযান মাসের রোযা রাখার পর শাওয়াল মাসের ১ তারিখে ঈদুল ফিতরের দিন রোযা ভাঙ্গে। এরপর শাওয়ালের ছয় রোযা রাখা শুরু করে এবং ৮ তারিখে ঈদ উদযাপন করে। এ ঈদকে তারা ‘ঈদুল আবরার’ আখ্যায়িত করে থাকে।

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) বলেন: “শরিয়ত প্রদত্ত নয় এমন কোন মৌসুম গ্রহণ করা বিদাতের অন্তর্ভুক্ত, যেটাকে সলফে সালেহিন মুস্তাহাব জানতেন না এবং তা তারা পালন করতেন না। যেমন- রবিউল আউয়াল মাসের কোন একটি রাত; যে রাতকে মিলাদুন্নবীর রাত বলা হয়, রজবের কোন একটি রাত, যিলহজ্জ মাসের ৮ তারিখ, রজব মাসের প্রথম জুমাবার ও শাওয়াল মাসের ৮ তারিখ; যে দিনকে মূর্খ লোকেরা ‘ঈদুল আবরার’ বলে থাকে । আল্লাহ্‌ সুবহানাহু তায়ালা ভাল জানেন।[শাইখুল ইসলাম এর ‘মাজমুউল ফাতওয়া’ (২৫/২৯৮)]

তিনি আরও বলেন: “শাওয়াল মাসের ৮ তারিখ নেককারদের ঈদও নয়; বদকারদের ঈদও নয়। কোন ব্যক্তির জন্য এ দিনকে ঈদ বিশ্বাস করা এবং এ দিনে ঈদের কোন আলামত জাহির করা জায়েয হবে না।” [আল-ইখতিয়ারাত আল-ফিকহিয়্যা, পৃষ্ঠা-১৯৯]

এই ঈদ কোন একটি নামকরা মসজিদে উদযাপনের আয়োজন করা হয়। সেখানে নারী-পুরুষের অবাধ সংমিশ্রণ ঘটে। তারা একে অপরের সাথে মুসাফাহা করে। মুসাফাহাকালে কিছু জাহেলি কথাবার্তা উচ্চারণ করে। এরপর তারা এ উপলক্ষ্যে বিশেষ কিছু খাবার-দাবার প্রস্তুত করতে চলে যায়।[শুকাইরির লিখিত ‘আস-সুনান ওয়াল মুবতাদাআত, পৃষ্ঠা-১৬৬]

সূত্র

বিদআত

সূত্র: 

শাইখ আব্দুল্লাহ্‌ বিন আব্দুল আযিয বিন আহমাদ আল-তুয়াইজিরি রচিত ‘আল-বিদা আল-হাওলিয়্যা’ পৃষ্ঠা-৩৫০

নিউজলেটার

ওয়েবসাইটের ইমেইল ভিত্তিক নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন

ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব অ্যাপ্লিকেশন

কন্টেন্টে আরও দ্রুত পৌঁছতে ও ইন্টারনেট ছাড়া ব্রাউজ করতে

App StoreGoogle Play